চৈত্র মাসের শুক্ল পক্ষের নবমী তিথিতে ভগবান শ্রীরামের জন্মদিন।আবার বসন্ত কালের রাজা সুরথের দেবী মহামায়ার কৃপা প্রার্থনা করার জন্য বাসন্তী পূজার প্রচলন করেন।সপ্তমী,অষ্টমী,নবমী ও দশমী এই চারদিন ধরে মায়ের পূজা করা হয়।আজ বাসন্তী পূজার মহানবমী। এই উপলক্ষ্যে বিপ্রটিকুরী অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামে হরিবাসর, হরি সংকীর্তন,রামনবমী পালন করা হয়।বিপ্রটিকুরী গ্রামে বাসন্তী পূজারও প্রচলন আছে।
এই উপলক্ষ্যে আমাদের অঞ্চল সভাপতি সারাদিন বিভিন্ন গ্রামে যান।লাভপুরে
ধর্নামঞ্চ থেকে ফিরে বিপ্রটিকুরী তে রামনবমী উপলক্ষ্যে মহোৎসবে যোগদান করেন
এবং গ্রামবাসীদের সাথে একসাথে বসে প্রসাদ গ্রহণ করেন।বিকালে তিনি কুরুম্বা
হরিবাসরে যোগদান করেন।হরিবাসরে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী শ্রী
অমরচাঁদ কুণ্ডু মহাশয় এবং কুরুম্বা গ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
মিঠু
ভাই আমাদের মাননীয় বিধায়ক শ্রী অভিজিৎ সিংহ মহাশয়ের সেই স্মরণীয় মন্তব্য
মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বলেন-ধর্ম যার যার/ উৎসব সবার। তিনি বলেন
ধর্মের মধ্যে দাম্ভিকতা থাকলে সেটা আর ধর্মান্ত থাকে না,সেটি ধর্মান্ধ হয়ে
যায়।তাই নিরহংকারী হয়ে সমস্ত ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।
কুরুম্বা
থেকে তিনি সোজা চলে যান বিপ্রটিকুরী বাসন্তী তলায়,সেখানে মা কে প্রনাম
জানিয়ে বিপ্রটিকুরী উত্তর দাস পাড়ায় হরিনামসংকীর্তনে যোগ দেন।হরিনাম শেষে
খিঁচুড়ী প্রসাদ খেয়ে বাড়ি ফিরে যান।তিনি মানুষের মাঝেই থাকতে পছন্দ
করেন।তিনি মানুষকে সাথে নিয়ে চলতে ভালোবাসেন।